শালবনির কর্নগড় মন্দিরের উন্নয়নে নজর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী - The News Lion

শালবনির কর্নগড় মন্দিরের উন্নয়নে নজর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী




দি নিউজ লায়ন ;   শালবনী ব্লকের ঐতিহ্যমন্ডিত স্থান কর্ণগড়।এই অঞ্চল প্রসিদ্ধ মা মহামায়ার ভব্য মন্দির ও রানী শিরোমনির নেতৃত্বে চুয়াড় বিদ্রোহের পীঠস্থান হিসাবে। এতদিন এই অঞ্চলে অবস্থিত রাজাদের ঐতিহাসিক গড় জঙ্গল আগাছায় ভরে গিয়েছিলো , গড়ের দুর্গ ভেঙে প্রায় ধূলিসাৎ। বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এই এলাকাকে পর্যটন ক্ষেত্র রূপে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ হয়েছে।


ইতিমধ্যেই গড় পর্যন্ত যাওয়ার পাকা রাস্তা , পানীয় জল , শৌচালয় এবং সাময়িক অবকাশ কেন্দ্র গড়ে তোলার কাজ চলছে। সৌন্দর্যায়নের জন্য লাগানো হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ , সংস্কার করা হয়েছে জলাশয়গুলো, সেচ দপ্তর, জেলা প্রশাসন এবং শালবনি পঞ্চায়েত সমিতি ও কর্ণগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে পর্যটন কেন্দ্র রূপে গড়ে তোলার জন্য  কাজ চলছে। 


পারাং নদীর তীরে রাজা যশোবন্ত সিংহের গড় পরবর্তীকালে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে রানী শিরোমনির নেতৃত্বে  চুয়াড় বিদ্রোহের পীঠস্থানে এলে আপনাকে ইতিহাসের ছোঁয়া দেবেই। কিন্তু  কর্ণগড় এর মহামায়া মন্দির থেকে পারাং নদী পেরিয়ে রাজার গড় কে যেতে সমস্যায় পড়েন কর্ণগড়ে  আসা পর্যটকরা। পারাং নদীর উপর কোন সেতু না থাকায়  ৮ কিলোমিটার ঘুরে গোদা পিয়াসাল  দিয়ে  রাজার গড়ে যেতে হয়।


কর্ণগড় মহামায়া সেবা সমিতির পরিচালক কমিটির সদস্য শিক্ষক তাপস কুমার সাউ বলেন মায়ের মন্দির থেকে রাজার গড় যাওয়ার জন্য  পারাং নদীর উপর সেতুটি তৈরীর প্রয়োজন। সেইসঙ্গে মহামায়া মন্দির থেকে রাজার গড় পর্যন্ত রাস্তাটিও নতুন করে তিনি তৈরি করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 


তিনি বলেন ওই রাস্তা টি তৈরি হলে এবং পারাং নদীর উপর ব্রিজ তৈরি হলে কর্ণগড় এবং রাজার গড় কে কেন্দ্র করে একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে রাজ্যের মানচিত্রে জায়গা করে নেবে। তাই তিনি বিষয়টি দেখার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। উল্লেখ করা যায় যে মঙ্গলবার খড়গপুর শিল্প তালুকে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্ণগড় মন্দিরের উন্নয়নের জন্য এক কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। 


তার আগেই রাজার গড় সংস্কারের জন্য ৫ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। তাই শিক্ষক তাপস কুমার সাউ বলেন মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগ প্রশংসনীয়।তিনি মানবিক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত। তাই জেলার অন্যান্য পর্যটক কেন্দ্র গুলির মত কর্ণগড় মন্দির কে সাজিয়ে তোলার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।তাই তিনি  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.